Skip to content

বালুর হোটেল

রেদোয়ান হাসান
সারা দুনিয়ায় কত আজব কিসিমের হোটেল আছে, তার কোনো ঠিকঠিকানা নেই! কোথাও পাবেন বরফের হোটেল, কোথাও আবার পাবেন কাচের হোটেল; কিন্তু বালু দিয়ে বানানো হোটেল! নেদারল্যান্ডসের জামস এমনই হোটেল, যা কিনা তৈরি বালু দিয়ে।

Sand-Hotel

আসলে বালুর একটি নয়, দুটি হোটেল বানানো হয়েছে; নেদারল্যান্ডসের অস ও স্নেইক শহরে । এই অদ্ভুত হোটেল দুটি দেখার ও এগুলোতে থাকার জন্য অনেক মানুষই শহরদুটোতে পাড়ি জমিয়েছিলেন। হোটেলের ঘরগুলো সুন্দর করে সাজানো-গোছানো, আসবাব যা যা লাগে সবই পাবেন এখানে। আছে বিছানা, পানির ব্যবস্থা, বিদ্যুতের সংযোগ, বাতাস চলাচলের জন্য জানালা আর তারবিহীন ইন্টারনেটের ব্যবস্থা। হোটেল দুটি মূলত তৈরি হয় বার্ষিক ব্ল্যাগাবনস ও ফ্লিশনজ বালু উৎসব মাথায় রেখে। এই উৎসবে বালু দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ভাস্কর্য প্রদর্শন করা হয়।

বালুর হোটেল শুনলেই মাথায় আসতে পারে, বালু কিভাবে এক জায়গায় আটকে থাকে! ভয়ও লাগতে পারে, কখন হোটেলের ছাদ না মাথায় ভেঙে পড়ে। কিংবা কে জানে জোরে ঘরের দরজা বন্ধ করলে পুরো দেয়ালই আবার ধসে পড়ে কি না! কিন্তু হোটেল নির্মাতারা জানিয়েছেন, এমন আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। হোটেলটি শক্ত একধরনের আবরণ দিয়ে ঢাকা, জিনিসটি বালুই; কিন্তু বিশেষভাবে প্রক্রিয়াজাত হওয়ায় বেশ শক্ত, তাই ভেঙে পড়ার ভয় নেই। তবে হোটেলের বাথরুম, গোসলখানা কিন্তু বালু দিয়ে তৈরি নয়, হোটেলের ভাড়াটেদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এ ব্যবস্থা।

বালু উৎসবে ঘোরা ও বালুর হোটেলে এক রাত থাকার জন্য আপনাকে গুনতে হবে ১৬৮ ডলার বা প্রায় ১৪ হাজার টাকার মতো। এই হোটেল খোলা থাকে স্নেইকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, আর অসে ৪ অক্টোবর বালু উৎসব শেষ হওয়া পর্যন্ত। সময় শেষ দেখে মুষড়ে পড়ার কিছু নেই। পরের বছর আবার যখন উৎসবটি হবে, তখন হোটেলটি চালু হবে। তা ছাড়া জার্মানি ও ইংল্যান্ডেও একই ধরনের হোটেল খোলার কাজ চলছে। সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *