Home » ডিটিসি ভ্রমণ বার্তা » ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া নৌকায় বাংলাদেশীও ছিলেন
ইটালিয় কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযানের এই ইনফ্রা-রেড ছবিটি প্রকাশ করেছে

ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়া নৌকায় বাংলাদেশীও ছিলেন

ইটালিয় কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযানের এই ইনফ্রা-রেড ছবিটি প্রকাশ করেছে

ইটালিয় কর্তৃপক্ষ উদ্ধার অভিযানের এই ইনফ্রা-রেড ছবিটি প্রকাশ করেছে

ভূমধ্যসাগরে প্রায় ৭০০ জন অভিবাসীকে নিয়ে ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে বাংলাদেশী নাগরিকও ছিলেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

তবে লিবিয়া উপকূলের কাছে ডুবে যাওয়া ঐ নৌকাটিতে ঠিক কতজন বাংলাদেশী ছিলেন তা এখনও নিশ্চিত নয়।

বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হচ্ছে, ইটালির সরকারী কৌশুলীরা সিসিলিতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা একজন বাংলাদেশীর সাথে কথা বলেছেন।

উদ্ধারকৃত ঐ বাংলাদেশী তাদের বলেছেন, ঐ নৌকায় ৯৫০ জন যাত্রী ছিল, যাদের মধ্যে কয়েকশ’ মানুষকে পাঁচারকারীরা বন্দী করে নিয়ে যাচ্ছিল।

ইটালিয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে, তবে আরো মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

প্রায় বিশটি জাহাজ এবং তিনটি হেলিকপ্টার নিয়ে চলা উদ্ধার অভিযানে সমন্বয় করছে ইটালি।

লিবিয়ার সমুদ্র উপকূল থেকে ১৭ মাইল দূরে শনিবার মধ্যরাতে আফ্রিকা থেকে সাতশোর মতো অভিবাসী নিয়ে নৌকাটি ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়। তাদের গন্তব্য ছিলো ইউরোপের দেশ ইটালি।

এদিকে ভূমধ্যসাগরে টহলের বিষয়ে পরিবর্তন আনার জন্য ইউরোপীয় নেতাদের ওপর চাপ বাড়ছে।

অবৈধভাবে অভিবাসন অনুৎসাহিত করতে ভূমধ্যসাগরে টহল এবং উদ্ধার তৎপরতা কমানোর একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গতবছর নেয়া ঐ সিদ্ধান্তটি পূনর্বিবেচনা করার জন্য ইইউ নেতাদের ওপর চাপ বাড়ছে।

ইটালিয় প্রধানমন্ত্রী মাত্তিও রেনজি বলেছেন, এসপ্তাহের শেষে ইইউ-এর একটি জরুরী বৈঠকের বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন ফরাসী প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোঁয়া ওলাঁদও।

২০১৫ সালের শুধু থেকে এই পর্যন্ত মাত্র কয়েক মাসে অন্তত দেড় হাজার অভিবাসী সাগরে ডুবে মারা গেছে।

সূত্র : বিবিসি