Home » ডিটিসি ভ্রমণ বার্তা » কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা পর্যন্ত বাস

কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে আগরতলা পর্যন্ত বাস

ভারতের কলকাতা থেকে ঢাকা হয়ে ত্রিপুরার আগরতলা পর্যন্ত সরাসরি বাস সার্ভিস চালুর অনুমতি দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দিল্লি সফররত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিবিসিকে বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকা সফরেই সম্ভবত এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি হবে। এছাড়াও মন্ত্রী জানিয়েছেন, ঢাকা থেকে মেঘালয়ের শিলং হয়ে আসামের রাজধানী গুয়াহাটি পর্যন্ত একটি বাস সার্ভিসের পরীক্ষা চালানো হবে ২২ মে। ওই বাসে সাধারণ যাত্রী ছাড়াও ওবায়দুল কাদের নিজে এবং ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ থাকবেন। পরীক্ষা সফল হলে, জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী সফরের সময় এই পথে বাস সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এই দুটি রুট ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে আরো চারটি নতুন বাস রুট চালু করার ব্যাপারেও আলোচনা চলছে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন। ভারতের মূল ভূখণ্ড দিয়ে সড়কপথে কলকাতা থেকে আগরতলা যেতে গেলে প্রায় তিন দিনের ধাক্কা। অথচ ঢাকা হয়ে যেতে পারলে সেই যাত্রার সময়টাই নেমে আসবে চব্বিশ ঘণ্টারও কমে। তবে এজন্য বাংলাদেশকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিতে হবে ভারতীয় বাসকে। কিন্তু সেই ট্রানজিটের দাবিটাই এতদিন আটকে ছিল কূটনীতির জটে, যা অবশেষে এখন খুলতে যাচ্ছে।

Obaidul-Kader

দিল্লিতে ভারতের পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গডকড়ির সঙ্গে সোমবার দীর্ঘ বৈঠকের পর ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন সেই কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস পরিষেবা অবশেষে সবুজ সঙ্কেত পাচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, কলকাতা-ঢাকা বাস চালু হয়েছিল ১৯৯৯ সালে, আর আগরতলা-ঢাকা বাস চালু হয় ২০০৩ সালে। দুটি রুটেই যাত্রীদের বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখেই আমরা এবার কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা বাস চালু করার কথা ভেবেছি। খুব শিগগিরি এর জন্য খসড়া বিবৃতি তৈরি হয়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। নরেন্দ্র মোদীর আসন্ন সফরেই বোধহয় এ ব্যাপারে চুক্তি হয়ে যাবে। মমতা ব্যানার্জির সরকারও এটাই চাইছিলেন।

নতুন নতুন বাস রুট
ভারত-বাংলাদেশের এই বাস-কূটনীতি এতেই থেমে থাকছে না, আরো নতুন নতুন রুটে তা সম্প্রসারিত করা যায় কিনা তা নিয়েও ইতোমধ্যেই দুই দেশের আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, দুই দেশের মধ্যে জনপ্রিয় হতে পারে। এমন আরো অন্তত চারটি রুট তাদের বিবেচনায় আছে। নতুন এই রুটগুলো হল কলকাতা-চট্টগ্রাম, শিলং-চট্টগ্রাম, খুলনা-কলকাতা ও যশোর-কলকাতা। সূত্র : বিবিসি বাংলা