Home » ডিটিসি ভ্রমণ বার্তা » রাজধানীতে পর্যটন মেলা শুরু
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিএফটিডি আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন

রাজধানীতে পর্যটন মেলা শুরু

পর্যটন বছর-২০১৬ সালকে সামনে রেখে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে আরো উন্নত ও আকর্ষণীয় করার লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলা।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। এ সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী রতন ভৌমিক।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (বিএফটিডি) সভাপতি হাকিম আলীর সভাপতিত্বে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পর্যটন সচিব মো. খোরশেদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিএফটিডির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল একরাম রাজু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘পর্যটন বছরে বাংলাদেশে ১০ লাখ বিদেশী পর্যটন আসবে। যা দেশকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্র আয় করতে সাহায্য করবে তবে এজন্য ট্যুর অপারেটরদের বিশেষ ভূমিকা রাখতে হবে।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিএফটিডি আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিএফটিডি আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলায় উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন

তিনি বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি নিজ উদ্যোগে অনেক কিছু করেছেন এ খাতের বিকাশে। সরকার পর্যটনের গুরুত্ব বোঝে। এটি বাংলাদেশের সম্ভাবনা অনেক বেশি বাড়িয়ে দেবে।

মন্ত্রী বলেন, পর্যটনের মূল কথা পর্যটকদের এখানে আসতে উদ্বুদ্ধ করা। শুধু বিদেশীরা নয়, তারা আসার আগে দেশের মানুষদেরও দেশের ট্যুরিজম স্পটগুলো ঘুরে দেখতে হবে। দেশের প্রোডাক্টগুলো দেখতে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। নিজেরা প্রথমে নিজেদের দেশেল সৌন্দর্য উপভোগ করুন।
ত্রিপুরার পর্যটন মন্ত্রী রতন ভৌমিক বলেন, এ দেশ আমার শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত। ভাষাসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। এসবকে আমরা পর্যটনের জন্য আশির্বাদ মনে করি। আমাদের সু সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।

বিএফটিডির চেয়ারম্যান হাকিম আলী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সহযোগিতা ও আন্তরিকতা আমরা পাচ্ছি। এ মেলা আমাদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও বৃদ্দি করবে। তবে অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুযোগ করে দিলে পর্যটন খাত আরও উন্নত হবে।

পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম বলেন, বিগত কয়েকটি বছ দেশের পর্যটন খাতে অভুতপূর্ব ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এখন ব্যাকপ্যাকার ট্যুরিসস্টও প্রচুর আসছেন। এ খাতে আমাদের আয় দিনদিন বাড়ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ভুটারের প্রতিনিধি সুনম দর্জি, নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের চেয়ারম্যান ডি লিম্বু প্রমুখ।
এর আগে পর্যটন মন্ত্রী ফিতা কেটে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন স্টলও ঘুরে দেখেন।

এবারের মেলায় বাংলাদেশ ছাড়াও ১৫টি দেশের ৫৫টি এয়ারলাইনস, হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, টুর অপারেটরসহ পর্যটনবিষয়ক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১৩৫ট স্টল অংশগ্রহন করবে।

মেলা উপলক্ষে এসব প্রতিষ্ঠান হোটেল ও প্যাকেজ বুকিংয়ে ছাড়া সহ বিভিন্ন সুযোগ থাকবে। এবারের মেলায় ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ডলার আয়ের প্রত্যাশাও করছেন আয়োজকরা। মেলায় প্রতিদিন লাকি ড্র অনুষ্ঠিত হবে।