Home » রকমারি » বি শ্ব ম য় বি স্ম য়

বি শ্ব ম য় বি স্ম য়

গ্রন্থনা : সজীব রায়
শুধুই যমজদের!
যত কাণ্ড মার্কিন মুলুকে! কয়েক হাজার মানুষের জমায়েত। সবাই একই রকম দেখতে। সবাই যমজ। আট থেকে আশি_ যমজের ভিড়। হুবহু এক দেখতে মানুষগুলোকে দেখলে চেনা দায়। হ্যাঁ, এটাই উৎসব। দেশ-বিদেশের তামাম যমজ ভাই-বোনদের মধুর জমায়েত। হুল্লোড় চলছে ৪০ বছর ধরে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিয়োর টুইন্সবার্গ শহর মেতেছে ৪০তম ঞরিহং উধুং উৎসবে। ১৯৭৬ সালে শুরু হয়েছিল এই ফেস্টিভ্যাল। অস্ট্রেলিয়া, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের যত যমজ জড়ো হন এ ফেস্টিভ্যালে। মজার পোশাক আর দেদার আনন্দে মাতেন এ যমজরা।

Twin2

কারও সদ্যোজাত যমজ, কারও বয়স আশি পেরিয়ে গেছে, যুবক-যুবতী, প্রৌঢ়, কোনো পরিবার তিন পুরুষ ধরে যমজ_ সব মিলিয়ে অভূতপূর্ব একটি উৎসব। ভারতেরও বহু যমজ সন্তান প্রতি বছর ঞরিহং উধুং ফেস্টিভ্যালে অংশ নেন। আর নানা দেশের যমজদের দেখতে ভিড়ে ঠাসা ওহিয়োর টুইন্সবার্গ।

১৫ হাজারেরও বেশি বিনিদ্র রজনী

রামায়ণে বর্ণিত কুম্ভকর্ণ ছয় মাস ঘুমাতেন। ছয় মাস জেগে থাকতেন। ভিয়েতনামের কৃষক থাই গকের কাছে জীবন এখন কুম্ভকর্ণের এক বছরের এক অর্ধের মতো। অর্থাৎ তার জীবনে ঘুম নেই। গত ৪২ বছর ধরে ঘুম কাকে বলে ভুলে গেছেন তিনি। যাপন করেছেন ১৫ হাজারের বেশি বিনিদ্র রজনী। তারপরও সম্পূর্ণ সুস্থ ৭৩ বছরের এ বৃদ্ধ। চিকিৎসকরা ধরতে পারেননি তার বিনাঘুমের রহস্য।

১৯৭৩ সালে একবার জ্বর হয় থাইয়ের। তখন তিনি ৩১ বছরের যুবক। জ্বর সেরে যায় বটে। তবে তার জীবন থেকে বিদায় নেয় ঘুম। ওই বছরের পর থেকে এক মুহূর্তের জন্যও এক হয়নি দুই চোখের পাতা।

থাই কোনো রেকর্ড করতে ময়দানে নামেননি। কোনো গবেষণার গিনিপিগও নন। তিনি একান্তই ঘুমাতে চান। ঘুমকে আবাহন করতে ধ্যান করেছেন। টোটকা চেষ্টা করেছেন। এমনকি মদ্যপানও বাদ থাকেনি। কিন্তু সব বিফলে গেছে। তার চোখে ঘুমের মাসি ঘুমের পিসি এসে বসেনি।

না ঘুমিয়ে কিন্তু একটুও শ্রান্ত অবসন্ন থাকেন না থাই। কাঁধে-পিঠে করে কয়েক মণ ওজনের চালের বস্তা বইতে পারেন দীর্ঘপথ। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করেও কোনো অসুখ ধরতে পারেননি। একে ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা রোগ বলবেন কি-না তাতেও নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা। তাদের চোখের সামনেই চিকিৎসা শাস্ত্রের বিস্ময় হয়ে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভিয়েতনামের কুয়াং নামক প্রদেশের ট্রুং হা গ্রামের নিদ্রাহীন চাষি থাই গক।

যে নদীতে ডুব দিলে কঙ্কাল হয়ে যায় মানুষ!

আপনি কি কখনও ভেবেছেন যদি এমন হয় যে, নদীতে ডুব দিলেন আর যখন ভেসে উঠলেন আপনার গায়ে কিছুই নেই, শুধু হাড়গুলো ছাড়া। অবাক কাণ্ড হলেও সত্যি স্পেনে এমন একটি নদী আছে, যেখানে ডুব দিলে কঙ্কাল হয়ে উঠতে হবে। রিও টিনটো নামের এ নদীর পানি অত্যন্ত আম্লিক (এসিডিক) (ঢ়ঐ-১.৭-২.৫) এবং ভারী ধাতু সমৃদ্ধ। নদীর পানিতে রয়েছে প্রচুর ফেরিক আয়রন। এ কারণেই নদীটি অত্যন্ত ভয়ানক।

এ নদীর কারণেই দেশটির অনেক গ্রাম স্থানান্তর করতে হয়েছে। স্পেনের দক্ষিণ-পশ্চিম দিয়ে বয়ে যাওয়া এ নদীটির উৎস আন্দালুসিয়া পর্বতে। এ নদীটি মাইন খননের সময় উৎপন্ন হয়েছে। এই খননের প্যাটার্ন অর্থাৎ নদীটি এতটাই দৃষ্টিনন্দিত, দেখলে মনে হবে আপনি চাঁদে আছেন। তবে যতই সুন্দর হোক, এটাকে স্পর্শ করা যায় না।

চার বছর বয়সী ক্যান্সার রোগীকে বিয়ে করলেন নার্স !

ক্যান্সার একটি প্রাণঘাতী রোগ_ এ বিষয়ে আমরা সবাই অবগত। নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চার বছর বয়সী এক শিশুর ক্যান্সার ধরা পড়ে। তবে তার স্বপ্ন পূরণ করা হয়। চার বছর বয়সী সেই শিশুটি তার দায়িত্বরত সেবকের সঙ্গে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালেই তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করে। সেই হাসপাতালের আরেকজন সেবিকা বিয়ের ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, চার বছর বয়সী আবি সাদা বিয়ের পোশাক পরিধান করেছে এবং হাসপাতালের সব সেবক বরের পক্ষের লোক হিসেবে নিজেদের তৈরি করেছেন এবং সে অনুযায়ী পোশাক পরিধান করেছেন। বরও তার পোশাকে প্রস্তুত ছিলেন। বর ম্যাট হিক্লিং তার ফেসবুক পেজে বলেছেন, ‘এ দিন অবশ্যই আমাদের একজন রোগী ও তার পরিবারের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তারা যত দুঃখের দিন অতিবাহিত করুক না কেন, পেছনে ফিরে এই স্মৃতির কথা মনে করলে তারা হাসতে পারবে।’ লরি সিয়াফারদোনি এই ভিডিও পোস্ট করে লিখেন, ‘এর জন্যই আমরা সেবিকার কাজ করি’। সূত্র : সমকাল