Home » অ্যাডভেনচার ট্রাভেল » সাদা পাথরের ভোলাগঞ্জ আর বিছনাকান্দি খ্যাত উৎমাছড়া

সাদা পাথরের ভোলাগঞ্জ আর বিছনাকান্দি খ্যাত উৎমাছড়া

রোপওয়ে, পাথর কোয়ারী আর পাহাড়ী মনোলোভা দৃশ্য অবলোকনের জন্য সিলেটের ভোলাগঞ্জে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক আগমন ঘটে পর্যটকদের। সিলেট থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরের ভোলাগঞ্জের রাস্তা দিয়েই ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে এক সময় লোকজন এ রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতো। কালের পরিক্রমায় এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রজ্জুপথ। নাম ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে। দেশের সর্ববৃহৎ ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীর অবস্থানও এ এলাকায়।

আর উৎমাছড়া! সাড়ি সাড়ি পাহাড়, পাহাড়ের বুকে গাড় সবুজের আস্তরণ। পাহাড়ের বুক চিড়ে চলা স্বচ্ছ জলরাশি। সর্বত্র ছড়ানো ছোট বাড় পাথর। এসবই পাওয়া যায় উৎমাছড়ায়। সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার রনিখাই ইউনিয়নে যার অবস্থান।

যাদের হাতে সময় কম, দলবেঁধে ঘুরতে পছন্দ করেন তাদের জন্য আমাদের এই ডে-লং ট্যুরের ব্যবস্থা। আমরা ঘুরবো, আনন্দ করবো, পর্যটকদের মেলবন্ধন তৈরি করবো, প্রিয় মাতৃভূমিকে দেখবো নিজের মতো করে।

যোগাযোগ: ০১৬১২ ৩৬০৩৪৮, ০১৫৩৩ ২০৬৯৯৪

ভ্রমণ শুরু: ২৪ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা।

ফেরার তারিখ: ২৬ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার ভোরে।

সাইটসিয়িং: ভোলাগঞ্জ, ধলাই নদী, উৎমাছড়া, রোপওয়ে প্রকল্প, পাথর আহরণ, ভোলাগঞ্জ ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন।

ভ্রমণ পরিকল্পনা

যাত্রা শুরু ২৪ অক্টোবর রাত ১১টায় ঢাকার ফকিরাপুল থেকে নন এসি বাসে শুরু হবে আমাদের অ্যাডভেঞ্চার। পরদিন ২৫ অক্টোবর সকালে সিলেটে পৌঁছে ঐতিহ্যবাহী পানসী হোটেলে করবো সকালের নাস্তা। এরপর রিজার্ভ করা মাইক্রোবাস/সিএনজিতে যাব মনলোভা ভোলাগঞ্জ। এখানে আমরা দেখবো ভারতের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে ধলাই নদীতে নেমে আসা পাথর, রোপওয়ে প্রকল্প, পাথর আহরণের দৃশ্য আর ভোলাগঞ্জ ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন। এখানের টলটলে পানিতে চলবে আমাদের আবগাহন।

দুপুরের খাবার শেষে ভোলাগঞ্জ থেকে যাব উৎমাছড়া। এখান থেকে বিকেল ৫টায় আমরা রওয়ানা দেব সিলেটের উদ্দেশে। রাতে আবার সেই ঐতিহ্যবাহী পানসী হোটেলে খাবার গ্রহণ শেষে এক দিনের স্মৃতি নিয়ে রওয়ানা দেব ঢাকার উদ্দেশে। ঢাকা পৌঁছে সমাপ্ত হবে আমাদের অ্যাডভেঞ্চার।

ভ্রমণ খরচ

জনপ্রতি ৩,০০০/= টাকা। তিন বছরের নিচে ফ্রি। যারা এসি গাড়িতে সিলেট যাওয়া-আসা করবেন তাদের জন্য অতিরিক্ত ১,৫০০/= টাকাসহ জনপ্রতি ৪,৫০০/= টাকা দিতে হবে। এক দিন আগে সিলেট গিয়ে রাতে হোটেলে অবস্থান করলে এক রাতের হোটেল ভাড়া ও রাতের খাবারের টাকা দিতে হবে।

বুকিংয়ের শেষ তারিখ: আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ১৫ অক্টোবর ২০১৯।

প্যাকেজে যা যা থাকছে: নন এসি চেয়ার কোচে ঢাকা-সিলেট-ঢাকা যাতায়াত। সিলেট-ভোলাগঞ্জ-সিলেট রিজার্ভ লেগুনা। উৎমাছড়া যাওয়ার লোকাল ট্রান্সপোর্ট। নদীতে রিজার্ভ ট্রলার। ৩ বেলা খাবার (সকাল, দুপুর, রাত)। চা, সিঙ্গারা, সমুচা ও হালকা রিফ্রেশমেন্টের ব্যবস্থা।

যা যা থাকছে না: যেকোনো ধরনের ব্যাক্তিগত খরচ। ঢাকা-সিলেট-ঢাকা আসা-যাওয়ার পথে বাসের যাত্রা বিরতিতে খাবার।

বুকিংয়ের আগে নিচের বিষয়টি ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে
এক দিনের ট্যুর হওয়ায় পরপর দুই রাত ঘুমের সমস্যা হবে। সকালে সামান্য সময়ের জন্য রিফ্রেশের ব্যবস্থা থাকবে। হোটেলে ঘুমানো কিংবা গোছলের ব্যবস্থা রাখা হবে না।

সাথে বহন করতে হবে
ক্যামেরা, মোবাইলের চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংক। নিজের প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিস। রোদ প্রোটেকশনের জন্য ছাতা, সানক্যাপ, সানগ্লাস, সানস্ক্রিন। প্রয়োজনীয় ওষুধ। ফার্স্ট এইড ব্যান্ডেজ। ট্রাভেল ফ্যান। বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য রেইন কোট।

কিছু কমন বিষয়
 বিকাশে টাকা পাঠালে খরচসহ দিতে হবে। বিকাশ নম্বর: ০১৬১২৩৬০৩৪৮ (পার্সোনাল)।
 ট্যুরের সম্পূর্ণ খরচ পরিশোধের পর বাসের টিকেট দেয়া হবে।
 আগে বুকিং সামনে সিট ভিত্তিতে বাসে সিট বরাদ্দ দেয়া হবে। এক্ষেত্রে ৬০ বছরের বেশি বয়সী এবং বাচ্চাসহ মহিলাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
 নদীতে গোছলের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ।
 এটি একটি গ্রুপ ট্যুর। ভ্রমণ পিপাসু মন আর সবার সাথে একত্রে থেকে সময়টাকে উপভোগ করার মানসিকতা থাকতে হবে।
 অন্য কেউ কষ্ট পাবে এমন কোনো আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
 স্থানীয়দের সাথে কোনো রকম বিরূপ আচরণ করা যাবে না। নতুন কারো সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে হোস্টের সহায়তা নিতে হবে।
 অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির তৈরি হলে সবাই মিলে সমাধান করতে হবে।
 অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা দেখানো যাবে না।
 দল ছাড়া হয়ে ঘুরা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে দলকে জানিয়ে যাওয়া যেতে পারে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজ দায়িত্বে গ্রুপে ফিরে আসতে হবে।
 প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাস বা ট্রলার নষ্ট হয়ে গেলে, স্পটের কোনো অনুমতি না পেলে, এক্সট্রা কোনো খরচ হলে যা ট্যুরে লেখা তা সবাইকে বহন করতে হবে।
 নদীর পানিতে কোনো ময়লা বা উচ্ছিষ্ট ফালানো যাবে না।

যেকোনো সময় ট্যুরের যেকোনো বিষয় পরিবর্তন হতে পারে। যেকোনো বিষয়ে ঢাকা ট্যুরিস্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

আপকামিং ইভেন্ট
সেন্টমার্টিন:
৭ নভেম্বর ও ২৪ ডিসেম্বর। ৪ রাত ৩ দিন, জনপ্রতি ৬,৯৫০/= টাকা।
সাজেক: ২১ নভেম্বর ও ১৯ ডিসেম্বর। ৩ রাত ২ দিন, জনপ্রতি ৫,৫০০/= টাকা।
সুন্দরবন: ১৮ ডিসেম্বর। ৪ রাত ৩ দিন, জনপ্রতি ৯,৯৫০/= টাকা।
সিকিম: ৭ নভেম্বর। ৭ রাত ৬ দিন, জনপ্রতি ২৪,৯৫০/= টাকা।
দর্জিলিং: ১৭ অক্টোবর। ৫ রাত ৪ দিন, জনপ্রতি ১৫,৯৫০/= টাকা।
শিলং-চেরাপুঞ্জি: ২৪ অক্টোবর ও ৭ নভেম্বর। ৪ দিন ৪ রাত, ১৫,৯৫০/= টাকা।
ওমরা: নভেম্বর দ্বিতীয় সপ্তাহ। ১০ দিন, ৭৫,০০০/= টাকা।

যোগাযোগের ঠিকানা
ঢাকা ট্যুরিস্ট, ১৮০-১৮১, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী (নবম তলা), বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০। মোবাইল: ০১৬১২৩৬০৩৪৮।
ওয়েবসাইট: dhakatourist.com, dhakatouristclub.com
ই-মেইল:dhakatourist@gmail.com, ফেসবুক পেজ:
facebook.com/dhakatourist