Home » বাছাইকৃত » ভারতের আরব সাগরকন্যা লাক্ষাদ্বীপ
লাক্ষাদ্বীপের একমাত্র বিমানবন্দর আগাট্টি এয়ারপোর্ট

ভারতের আরব সাগরকন্যা লাক্ষাদ্বীপ

:: মোস্তাফিজুর রহমান ::

মালদ্বীপের উত্তর দিকে ছবির মতো সাজানো আরব সাগরে ভারতের শেষ ভূখণ্ড লাক্ষাদ্বীপ। আসলে দ্বীপ নয় দ্বীপপুঞ্জ। লক্ষ দ্বীপ থেকে লাক্ষাদ্বীপ। ভারতের অন্যতম সেরা সামুদ্রিক ডেস্টিনেশন। দ্বীপটির ভার্জিনিটি ও বিশালতার জন্য এটি আপনার কাছে হানিমুন ডেস্টিনেশনও হয়ে উঠতে পারে।
কেরলা উপকূলে অবস্থিত লাক্ষাদ্বীপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নীল সমুদ্র আর সমুদ্র তট। লাক্ষাদ্বীপের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ফিরোজা নীলাভ জল, অদূষিত সমুদ্র-সৈকত, প্রবাল প্রাচীর, সমুদ্রের নীচের প্রবাল আর প্রবালের মধ্যে থাকা সামুদ্রিক জীব। স্বচ্ছ নীল জলের সঙ্গে নীল আকাশ মিলে যে দীগন্ত তৈরি করে তা লাক্ষাদ্বীপের প্রকৃতির আলাদা সম্পদ। এখানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে আপনি জল-ক্রীড়া করতে পারবেন। সান বাথসহ সমুদ্রের নিজস্ব আকর্ষণ রয়েছে এখানে।

ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় কেরালার তটরেখার পরে প্রায় ২০০ থেকে ৪৪০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লাক্ষা সাগরের মালাবার উপকূলে এই দ্বীপপুঞ্জটি অবস্থিত। লাক্ষাদ্বীপ প্রায় ৩২ বর্গ কিলোমিটার ভূমি এলাকা দ্বারা আবৃত। এখানকার প্রকৃতি ও বিশুদ্ধ সৌন্দর্য জীবনে একবার অন্তত দেখা উচিত।
কাভারত্তি, কাডমট, কিলত্তন, কালপেনি, আগাট্টা, আমিনি, আদ্রোত, চেট্টলাট, মিনিকয়, বিত্রাসহ ৩৬টি দ্বীপ নিয়ে লাক্ষাদ্বীপ। কালপেনি আর কাডমট লাক্ষাদ্বীপের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনস্থল। মিনিকয় ও কাভারত্তি দ্বীপের প্রশাসনিক কার্যালয় রয়েছে কাভারত্তিতে। এখানের লাগুন আর সবুজায়নের মিশেল পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে।
অন্যান্য দ্বীপ থেকে মিনিকয় একটু দূরে। তবে ভিড় থেকে নিজেকে সরিয়ে আলাদাভাবে নিজের সঙ্গে নিজের সময় কাটাতে হলে মিনিকয় আদর্শ জায়গা। বাঙ্গারাম দ্বীপপুঞ্জে এশিয়ান ডলফিন, ফ্রগফিশ আর বাঙ্গারাম দ্বীপ হলো অক্টোপাস দেখার সেরা জায়গা। লাক্ষাদ্বীপ বেড়াতে গেলে এসব জায়গা মিস করা যাবে না।

এছাড়াও লাক্ষাদ্বীপে পাঁচটি ডুবন্ত প্রবাল-প্রাচীর এবং ১৭টি জনবসতিহীন দ্বীপ রয়েছে। এমনই একটি জনবসতিহীন দ্বীপ বঙ্গারাম। দ্বীপটির আকর্ষণীয় সৈকতগুলো একটি স্বতন্ত্র পর্যটন স্থল রূপে গড়ে উঠেছে। এসব স্থান পর্যটককে পুর্নজ্জীবিত করে তোলে। নতুন করে বাঁচতে শেখায়।
আসলে যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসেন এবং প্রতিকৃতিকে অন্বেষণ করতে পছন্দ করেন তাদের কাছে লাক্ষাদ্বীপ একটি যোগ্য গন্তব্যস্থল। লাক্ষাদ্বীপের আদিম সৌন্দর্য্যতা আপনাকে বিমোহিত করবে। শহুরে কলরব ও বিশৃঙ্খলা থেকে বহুদূরে অবস্থিত এই লাক্ষাদ্বীপে আপনি কেবল সমুদ্র সৈকতে আছড়ে পড়া তীব্র জলতরঙ্গ এবং শঙ্খচিলের কলকাকলির আওয়াজই শুনতে পাবেন। শহুরে উন্মত্ততা থেকে আপনি এই দ্বীপপুঞ্জে এক অনাবিল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে পারেন।
এই দ্বীপপুঞ্জে বেশ সুযোগ-সুবিধাও রয়েছে। যেমন স্কুবা ডাইভিং, কায়াকিং, ক্যানোয়িং, উইন্ডসার্ফিং, ইয়াচটিং। এছাড়াও রোমাঞ্চ প্রেমীদের জন্য রয়েছে আরও অনেক কিছু।

লাক্ষাদ্বীপের বাসিন্দাদের অধিকাংশই মুসলিম। একমাত্র এমপি তিনিও মুসলিম। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে লাক্ষাদ্বীপ থেকে জয় পেয়েছেন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি-এনসিপির মোহাম্মদ ফয়জল। এখানে বিজেপিসহ প্রায় সবদলই তাদের প্রার্থী দেয় মুসলিম সম্প্রদায় থেকে।
৩৬টি দ্বীপকে নিয়ে গঠিত আরব সাগরের এই দ্বীপপুঞ্জটি ভারতের একটি মুসলিম অধ্যুষিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। যা ভারতের মূল ভূখÐ থেকে ২০০ থেকে ৪৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে লাক্ষা সাগরের মালাবার উপকূলে অবস্থিত। ৩২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের দ্বীপটি ভারতের সবচেয়ে ছোট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। লাক্ষাদ্বীপের রাজধানীর নাম কাভারাট্টি। সমগ্র অঞ্চলটি একটি জেলা ও ১০টি মহকুমায় বিভক্ত।
সপ্তম শতকে এই অঞ্চলে মুসলমানদের আগমন ঘটে এবং এখানে ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে লাক্ষাদ্বীপের দশটি দ্বীপে মানুষ বসবাস করে। লাক্ষাদ্বীপের মোট ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ মুসলিম। ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে অঞ্চলটির জনসংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। তবে এখন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজারে। ইসলাম ধর্ম ছাড়াও এখানে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ ধর্মাবলম্বীদের বাস রয়েছে।
লাক্ষাদ্বীপ ১৯৫৬ সালের ১ নভেম্বর ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের অধীনে আসে এবং এটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলরূপে গড়ে ওঠে। দ্বীপপুঞ্জটিতে কোনো প্রাচীন আদিবাসী বাসিন্দা নেই। ইতিহাসবিদরা এই দ্বীপপুঞ্জটিতে বসতি স্থাপনের ইতিহাস সম্পর্কে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ শতকে অঞ্চলটিতে মানব বসতির পুরাতাত্তি¡ক প্রমাণ পাওয়া গেছে। দ্বীপপুঞ্জটি প্রাচীনকাল থেকে নাবিকদের মধ্যে পরিচিত ছিল।
খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের বৌদ্ধ জাতকের কাহিনীতে এই দ্বীপপুঞ্জটির কথা উল্লেখ আছে। সম্ভবত সপ্তম শতকে এই অঞ্চলে মুসলমানদের আগমন ঘটে। মধ্যযুগে এই অঞ্চলটি চোল সা¤্রাজ্য এবং কান্নুরের রাজ্য দ্বারা শাসিত ছিল। ক্যাথলিক পর্তুগীজদের এখানে আগমন হয় ১৪৯৮ সালে। পরে ১৫৪৫ সালে দ্বীপটি থেকে তাঁদেরকে বহিষ্কৃত করা হয়।
এর পর অঞ্চলটি প্রথমে আরাক্কালের মুসলিম হাউজ এবং তার পর টিপু সুলতান দ্বারা শাসিত হয়। ১৭৯৯ সালে টিপু সুলতানের মৃত্যুর পর এই অঞ্চলটির অধিকাংশই ব্রিটিশদের হাতে চলে যায়। ব্রিটিশদের বিদায়ের পর ১৯৫৬ সালে দ্বীপপুঞ্জটি ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা পায়।
সমুদ্রবেষ্টিত এই দ্বীপপুঞ্জের লোকদের প্রধান পেশা কৃষি কাজ, মাছ ধরা এবং নারকেলের চাষ করা। টুনা মাছ এই দ্বীপসমূহ থেকে মূল ভারত ভূখণ্ড রফতানি করা প্রধান সামগ্রী। নারকেল সম্পর্কিত অনেক শিল্প এখানে গড়ে উঠেছে। ইদানিং পর্যটন শিল্প তাদের আর্থিক উপার্জনের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে।
লাক্ষাদ্বীপে বেশ গুরুত্ব দিয়ে রমজান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করা হয়। এখানকার মানুষ অতি সহজ ও সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। মুসলিমরা দ্বীপটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও অন্যদের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে এবং দ্বীপের উন্নতির জন্য একযোগে কাজ করে।
মালায়লাম স্থানীয় ভাষা হিসাবে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। তবে এখন ইংরেজি ও হিন্দির প্রচলন ঘটছে। দ্বীপটিতে স্বাক্ষরতার হার ৯২.২৮ শতাংশ। সেখানকার পাঠ্যক্রমে কেরালা রাজ্যকে অনুসরণ করা হয়। শিক্ষার ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে।

লাক্ষাদ্বীপে বেশ কয়েকটি আকর্ষণীয় মসজিদ রয়েছে। তার মধ্যে উজরা মসজিদ, জুমা মসজিদ, উবায়দুল্লাহ মসজিদ, আগাট্টি মসজিদ বেশি প্রসিদ্ধ। শুধু রাজধানী কাভারাট্টিতে ৫২টি মসজিদ রয়েছে। জনসংখ্যা অনুপাতে পৃথিবীর আর কোথাও এত বেশি মসজিদ আছে কিনা সন্দেহ।
উজরা মসজিদ চত্বরে একটি কূপ রয়েছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস এর পানি পানে বিভিন্ন রোগের নিরাময় ঘটে। উজরা মসজিদের দেয়ালে প্রাচীন রীতিতে করা আরবি ক্যালিগ্রাফির কারুকাজ দেখতে পর্যটকরা ভিড় করেন।
লাক্ষাদ্বীপের মসজিদে উবায়দুল্লাহও বেশ প্রসিদ্ধ। এখানে একজন ধর্ম প্রচারকের কবর রয়েছে। তার নামেই মসজিদটি প্রসিদ্ধ। তিনি দ্বীপটিতে প্রথম ইসলামের দাওয়াত নিয়ে আসেন।
কোরবানির ঈদে লাক্ষাদ্বীপের মুসলমানরা বকরি জবাই করে গোশত বিলি-বণ্টন করে। ঈদগাহে নামাজ আদায় করে। মসজিদ সংলগ্ন মাদরাসাগুলোতে কোরআন শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। লাক্ষাদ্বীপে রয়েছে দেওবন্দের সিলেবাস অনুসরণে পরিচালিত কয়েকটি মাদরাসাও। নারীরা হিজাব পরিধান করে ঘর-সংসারের কাজ সামাল দেয়। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ না হওয়া সত্ত্বেও অনেকে লাক্ষাদ্বীপকে নারীর রাজ্য বলে অভিহিত করে। কারণ, সংসার দেখাশোনা থেকে শুরু করে সবকিছু নারীকেই করতে হয়। পুরুষরা কৃষিকাজ ও মাছ ধরাসহ নানা কাজে বাইরেই বেশি থাকেন।

কীভাবে যাবেন লাক্ষাদ্বীপে? লাক্ষাদ্বীপ যেতে হলে কেরালার রাজধানী কোচি থেকে যেতে হবে। কোচির বিমানবন্দর থেকে লাক্ষাদ্বীপের আগাট্টি বিমানবন্দরে নিয়মিত ফ্লাইট চলে এয়ার ইন্ডিয়ার। বিমান আগাট্টি দ্বীপের সান্নিধ্যে গেলে দর্শকেরা উপর থেকে এয়ারস্ট্রিপের এক আশ্চর্যজনক দৃশ্য দেখতে পাবেন। আগাট্টি বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার পরিষেবা রয়েছে। যা বর্ষার সময়ে আগাট্টি বিমানবন্দর থেকে বঙ্গারাম আইল্যান্ড রিসোর্ট এবং সারাবছর ধরে কাভারত্তি দ্বীপ পর্যন্ত যাতায়াত করে।
সমুদ্রপথেও যাওয়া যাবে লাক্ষাদ্বীপ। বেশ কিছু যাত্রীবাহী জাহাজ কোচি থেকে লাক্ষাদ্বীপ পর্যন্ত যাতায়াত করে। যেতে সময় লাগে ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা। ভাড়া ভারতীয়দের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা আর বিদেশিদের জন্য ২০০০ টাকা। উন্নতমানের এসব জাহাজে উচ্চমানের থাকার ব্যবস্থা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। তবে বর্ষাকালে জাহাজ পরিষেবা বন্ধ থাকে।
তবে যে পথেই যান লাক্ষাদ্বীপ বেড়াতে হলে কোচি থেকে ট্যুরিজিম পারমিট নিতে হবে। ভারতীয়রা লাক্ষাদ্বীপের অধিকাংশ দ্বীপে বেড়াতে যাওয়ার অনুমতি পেলেও বিদেশীরা যেতে পারে তিনটিতে।
লাক্ষাদ্বীপের অধিকাংশ খাবারই দক্ষিণ ভারতীয়। আপ্পাম, ধোসা, ইডলি এগুলো দিয়ে সকালের নাস্তা করেন লাক্ষাদ্বীপের অধিবাসীরা। দুপুর ও রাতের খাবার খান বাঁধাকপি, পীরা, ওলান, পারিপ্পু তরকারি, ইডিমাস ইত্যাদি দিয়ে। এ ছাড়া কোঝি মশালা, ইরাচি ভারুথাথু ও চিকেন কারিও রয়েছে খাবারের তালিকায়।
যদিও লাক্ষাদ্বীপের আবহাওয়া সারা বছর ধরেই মনোরম থাকে কিন্তু এই স্থানে ঘুরতে যাওয়ার সেরা সময় হলো অক্টোবর থেকে এপ্রিলের মধ্যে। এখানকার তাপমাত্রা সাধারণত ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড অতিক্রম করে না।

লাক্ষাদ্বীপ ঠিক কেনাকাটার স্থল নয়। মানুষজন এই দ্বীপে খুব বেশি কেনাকাটার জন্য আসে না। আসে অবকাশের জন্য সময় কাটাতে এবং জনপ্রিয় জলক্রীড়া স্ক্যুবা ডাইভিংয়েয়র জন্য। তবে আপনি যদি কেনাকাটা করতে আগ্রহী হন কিছু স্মারক নিয়ে আসতে পারেন যা এখানে আপনার ছুটি কাটানোর ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখবে। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে- সামুদ্রিক দ্রব্যে নির্মিত কৃত্রিম গহনা, সুন্দর আ্যকোয়ারিয়াম, রেডিমেড মাছ বিস্কুট, নারকেল খোলার দুর্লভ শৈল্পিক বস্তু, কচ্ছপের খোলা দ্বারা নির্মিত গৃহসজ্জার বস্তু, ঝিনুক ইত্যাদি।
লাক্ষাদ্বীপ ভ্রমণের আগে কোথায় কোথায় বেড়াবেন তার পরিকল্পনা করতে হবে। এই দ্বীপপুঞ্জে ভ্রমণে অনুমতির প্রয়োজন হয়। যার প্রক্রিয়াকরণে অন্তত দুই দিন সময় লাগে। এই দুই দিন আপনি কোথায় ঘুরবেন তারও একটা পরিকল্পনা থাকতে হবে। ভ্রমণ মৌসুমে এই দ্বীপপুঞ্জে থাকার জায়গা পাওয়াটা এক কঠিন বিষয়। সুতরাং আগেভাগে হোটেল বা রিসোর্ট বুকিং না করলে বিপদে পড়তে হতে পারে। এখানের দ্বীপগুলো বেশিরভাগই প্রায় জনবসতিহীন। তাই রাতে ভ্রমণ না করাই নিরাপদ।

লেখক: ঢাকা ট্যুরিস্টের প্রধান নির্বাহী