Home » ভ্রমণ » ভারত

ভারত

Darjeeling-Kalimpong-Mirik Tour

একবার ভাবুন, আপনি ছুটছেন পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে। জিপের ভেতর দাঁত কামড়ে বসে আছেন। পাল্লা দিয়ে চলছেন মেঘের সাথে। মেঘগুলো কখনো জিপের এক পাশের জানালা দিয়ে ঢুকছে। আর বের হচ্ছে অন্য পাশ দিয়ে। আপনি ছুটছেন প্রায় সাত হাজার ফুট উচ্চতার এক শহরের উদ্দেশে। বলছি দার্জিলিংয়ের কথা। হিমালয়ের কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ছবির মতো সুন্দর স্বপ্নপুরী এই দার্জিলিং। Package Details Duration ...

বিস্তারিত »

চলুন যাই আনন্দের শহর ঐতিহ্যের শহর কলকাতা

গোটা বিশ্বের ‘সিটি অব জয়’ হিসাবে খ্যাত শহর কলকাতা। এই শহর শুধুমাত্র ভারতের একটি মহানগর নয়, এ শহর ভারতের সামগ্রিক ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৭০০ সাল থেকে ১৯১২ পর্যন্ত কলকাতা ব্রিটিশ ভারতের প্রথম রাজধানী ছিল। তখন অবশ্য শহরটি ক্যালকাটা হিসাবে ব্রিটিশদের কাছে পরিচিতি ছিল। সময়ের সাথে সাথে কলকাতার সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক নানান পরিবর্তনের মাধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে। ওই সময়কালে ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (নবম পর্ব)

:: লাচেন :: উত্তর সিকিমের ছোট্ট একটি গ্রাম লাচেন। চুংথাং থেকে লাচেন চু নদীকে সঙ্গে নিয়ে চড়াই পাহাড়ি পথে পৌঁছাবেন ৯,৪০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত লাচেনে। চুংথাং থেকে দূরত্ব ২৯ কিলোমিটার। গুরুদোংমার যাত্রীরা এই লাচেনের হোটেলেই রাতে থাকেন। হাতে সময় থাকলে লাচেন গুহাটিও দেখে নিতে পারেন। কিছুটা ওপরে হওয়ার কারণে গুহা চত্বর থেকে গোটা গ্রাম ও উপত্যকার এক সুন্দর ছবি দেখতে ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (অষ্টম পর্ব)

:: ইয়ুমথাং :: ইয়ুমথাংয়ের আরেক নাম ‘ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার’। ১১,৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই স্থানটিতে এপ্রিল-মে মাসে ফুলের জলসা বসে। রাডোডেনড্রন, প্রিমুলাসহ আরও নানা রকমের ফুলে রঙিন হয়ে ওঠে উপত্যকা। শীতকালে আবার উপত্যকার অন্য রূপ দেখতে পাবেন। সাদা বরফে ঢেকে যায় পাহাড়, রাস্তাঘাট। মনে হয় বুঝি তুষারসাম্রাজ্যে এসে পড়েছি। লাচুং থেকে ইয়ুমথাংয়ের দূরত্ব ২৩ কিলোমিটার, আর গ্যাংটক থেকে ১৪১ কিলোমিটার। ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (সপ্তম পর্ব)

:: লাচুং :: এবার চলুন উত্তর সিকিমের পথে। পর্যটকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় উত্তর সিকিমের এই সফর। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত অত্যধিক বরফের জন্য। আর বর্ষাকালটা (জুলাই-আগস্ট) রাস্তা প্রায়ই ভেঙে যাওয়ার কারণে, এই সফর কিছুটা অনিশ্চিত হলেও, বছরের বাকি সময় দিব্যি উপভোগ করা যায় এই সফর। উত্তর সিকিমের ঘোরার জন্য আলাদা অনুমতি নিতে হবে। গ্যাংটকের হোটেলে ডকুমেন্টগুলো দিলে তারাই ব্যবস্থা ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (ষষ্ঠ পর্ব)

:: সিল্করুট :: পাকইয়ং দেখেও রোরাথাং হয়ে চলে আসতে পারেন পূর্ব সিকিমের এই সিল্করুট বা রেশমপথে। অতীতে এই পথেই বাণিজ্য চলত ভারতবর্ষ থেকে তিব্বত হয়ে মধ্য এশিয়া পর্যন্ত। ঐতিহাসিক এই পথের সৌন্দর্যও অতুলনীয়। রেশমপথের প্রবেশদ্বার বলা যেতে পারে লিংতামকে। চার হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই লিংতামের হোটেলে রাতে থেকেই ঘুরে নিতে পারেন এই সুন্দর পথটি। লিংতামে থেকে কাছাকাছির মধ্যে দেখে ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (পঞ্চম পর্ব)

:: পাকইয়ং-ইয়াকতেন :: চেনা সিকিম ছেড়ে মন যদি যেতে চায় অচেনা, অনাঘ্রাত সিকিমের পথে, তবে চলে আসুন পাকইয়ং। পর্যটকদের ভির এখনও কুলষিত করেনি এ যায়গাটিকে। স্থানীয় মানুষদের আন্তরিকতা আর সহৃদয়তা মুগ্ধ করবে প্রতি মুহূর্তেই। শিলিগুড়ি থেকে রানিপুল মোড় থেকে ডানহাতি রাস্তা ধরে পৌঁছে যান পাকইয়ং (বাঁ-হাতি রাস্তাটা চলে চলে গিয়েছে গ্যাংটক অভিমুখে)। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে পাকইয়ংয়ের দূরত্ব ১২০ কিলোমিটার। ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (চতুর্থ পর্ব)

:: ছাঙ্গু-নাথুলা :: গ্যাংটক শহর থেকে ৩৮ কিলোমিটার দূরে চড়াই পাহাড়িপথ পেরিয়ে পৌঁছে যান অপরুপ ছাঙ্গু লেকে। ছাঙ্গু লেকের স্থানীয় নাম সোমগো। উচ্চতায় ১২ হাজার ৪০০ ফুট। টলটলে নীল পানির এই ডিম্বাকৃতি লেক দৈর্ঘ্যে প্রায় এক কিলোমিটার, আর গভীরতায় ১৫ মিটার। শীতে লেকের পুরো পানিটাই জমে হয়ে যায় বরফ। তখন আবার তার আরেক রূপ। ইচ্ছে করলেই ইয়াকের পিঠে চেপে ঘুরে ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (তৃতীয় পর্ব)

গ্যাংটক সিকিমের রাজধানী শহর গ্যাংটক সাড়ে পাঁচ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকানপাট, শপিংমল, ভিউটি পার্লার ইত্যাদি নিয়ে গড়ে ওঠা এক চকচকে পাহাড়ি শহর এই গ্যাংটক। এখানে পর্যটকরা যেমন কাঞ্চনজঙ্ঘাসহ অন্যান্য তুষারশৃঙ্গের দৃশ্য দেখতে পাবেন, সঙ্গে সঙ্গে শপিং- বিলাসী মানুষরা মনের সুখে অন্যান্য সামগ্রী কেনাকাটাও করতে পারবেন রকমারি দোকান থেকে। বিভিন্ন রঙের ফুল দিয়ে সাজানো এম জি মার্গ বা ...

বিস্তারিত »

দু’হাত বাড়িয়ে অপেক্ষায় মায়াবী সিকিম (দ্বিতীয় পর্ব)

সিকিম নামটা এসেছে লিম্বু ভাষার ‘সু-হিম’ শব্দটি থেকে, এমনটা শোনা যায়। ‘সু-হিম’ শব্দের অর্থ হলো সুখের ঘর। বাস্তবিকই অনাবিল শান্তি আর সুখের ঘর হলো ছোট্ট রাজ্যটি। তবে আয়াতনে ছোট হলেও বৈচিত্রের দিক দিয়ে কিন্তু অসাধারণ দাবি রাখে এই জায়গা। বিশ্বের তৃতীয় উচ্চতম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘাসহ অন্যান্য নামকরা তুষারশৃঙ্গের চোখধাঁধানো শোভা, তিস্তা-রঙ্গিতের মতো উচ্ছল নদীর সুন্দর গতিপথ, রুমটেক-রালং-পেমিয়াংশি প্রমুখ ঐতিহ্যশালী গুম্ফার সম্ভমজাগানো ...

বিস্তারিত »